শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ শ্যামনগর ছুরিকাঘাত যুবকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শনিবার (১৬ জুলাই) বিকালে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হতে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশ্য প্রেরণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য শ্যামনগর সদর ইউনিয়ন গোডাউন মোড়ে (১৩ জুলাই) সকাল আনুমানিক ১১ টার দিকে দিন-দুপুরে জনসম্মুখে প্রকাশ্যে বাদঘাটা গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে আব্দুস সালাম (২২) কে এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাত করে হত্যার উদ্দেশ্যে মারাত্মক ভাবে যখম করে অত্র এলাকার বহু অপকর্মের হোতা কিশোর গ্যাং সদস্য মানিকপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে ও বাদঘাটা গ্ৰামের আতিয়ার রহমানের পোতা মোখলেছুর রহমান। এ ঘটনায় শ্যামনগর থানায় (১৩ জুলাই) রাতে ৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন আব্দুল সালামের বড় ভাই জিল্লুর রহমান। শ্যামনগর থানা পুলিশের সাব- ইন্সপেক্টর ফজলে রাব্বি এজাহার ভুক্ত ৩ নং আসামি মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হলেও উক্ত ঘটনার মূল হোতা মোখলেছুর রহমান রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

মামলার বাদী জিল্লুর রহমান বলেন, মোখলেছুর রহমান এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি, দলবদ্ধ ভাবে সেবন,চুরি, মোবাইল ছিনতাসহ দীর্ঘদিন ধরে বহু অপকর্ম করে আসছে। তার ভয়ে এলাকায় কেউই মুখ খুলতে সাহস পায় না।

আমার ভাই আব্দুস সালাম মোখলেছুর রহমানের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় তাকে হত্যা করার জন্য এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এবং আমাকে মামলা তুলে নিতে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি অব্যাহত রেখেছে। বর্তমানে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, আব্দুস সালামের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজন। তার পিঠে ও হাতে ১১৮টি মত সেলাই দেয়া আছে। বর্তমানে ক্ষতস্থানে ইন্টারনাল ব্লিডিং হচ্ছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাব -ইন্সপেক্টর ফজলে রাব্বি বলেন, এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।