বিশেষ প্রতিনিধিঃ সুন্দরবনের সকল পাশ পারমিট বন্ধ থাকলেও বন্ধ হয়নি বাগদার রেনু পোনা ধরা। প্রতিনিয়ত প্রসাশনের চোখ ফাঁকি দিয়ে জেলেরা অবৈধ নেট জালের মাধ্যমে বাগদার রেনু পোনা ধরে যাচ্ছে। এ রেনু পোনা ধরে বিভিন্ন বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রয় করতে দেখা যায়। সেখান থেকে মটর সাইকেল যোগে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে ব্যাবসায়ীরা। সরাজমিনে দেখা যায় হরিনগর বাজারে নিষিদ্ধকৃত ছোট পোনা বিক্রয়ের জমজমাট বাজার বসেছে। প্রতিদিন এখান থেকে হাজার হাজার রেনু পোনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে ঘের মালিকদের কাছে বিক্রয় করে থাকে ব্যাবসায়ীরা। সুন্দরবনের নদীতে ২৬০ প্রজাতির মাছ পাওয়া যেতো কিন্তু অবৈধ নেট জাল ব্যাবহারের কারণে সে সকল মাছ হারিয়ে যাচ্ছে। সরকারি ভাবে সুন্দরবনের নদী থেকে নেট জাল দিয়ে রেনু বাগদা মারা নিষেধ থাকলেও তা অমান্য করে বহাল তবিয়াতে করে যাচ্ছে একটি মহল।নিষিদ্ধকৃত রেনু পোনা বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রয়ের জন্যে প্রভাবশালীরা মাশোহারা নিয়ে থাকে প্রতিনিয়ত এছাড়া দায়িত্বরত প্রশাসনের কর্মকর্তারও জড়িত বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাবসায়ী জানান।সুন্দরবনের নদী থেকে প্রতিনিয়ত যদি ছোট রেনু পোনা ধরতে থাকে থাকে তাহলে পরিবেশের দিক দিয়ে বিপর্যয় পড়বে সুন্দরবন। যে অবৈধ নেট জাল ব্যাবহার করে বাগদার রেনু পোনা ধরা হয়। সেই নেট জালে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা আটকে ধংস্ব হয়ে যাচ্ছে। সুন্দরবনের নদী থেকে হারাতে বসছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক জেলে বলেন, এক সময় নদীতে বিভিন্ন প্রজাতির প্রচুর মাছ পাওয়া যেতো কিন্তু অবৈধ নেট জাল দিয়ে বাগদার রেনু পোনা ধরার কারণে এসকল মাছ বিলপ্তির পথে।যদি নেট জাল ব্যাবহার বন্ধ করে দেয় তাহলে নদীতে আবার প্রচুর মাছ হবে। এবিষয় কদমতলার স্টেশন কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন বলেন, আমরা প্রতিনিয় টহল জোরদার রাখছি যাতে নেট জাল দিয়ে মাছ না ধরতে পারে এছাড়া বাজার গুলিতে অভিযান দেওয়া হবে যেখানে ছোট রেনু পোনা বিক্রির করা হয়।