মারুফ বিল্লাহ রুবেল,শ্যামনগরঃ সাতক্ষীরা শ্যামনগরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়।
শ্যামনগর উপজেলা প্রসাশনের আয়োজনে (৮ আগস্ট) সোমবার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ হল রুমে আলোচনা সভায়
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারিদ বিন শফিকের স্বচলনায়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আক্তার হোসেনের সভাপতিত্বে। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা ৪ আসনের সংসদ সদস্য এস.এম জগলুল হায়দার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান এস.এম আতাউল দোলন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ‌-উজ জামান সাঈদ সিনিয়র মৎস্য অফিসার তুষার মজুমদার, শ্যামনগর থানার তদন্ত কর্মকর্তা সানোয়ার হোসেন মাসুম, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার দেবী রঞ্জন মন্ডল সহ আরো অনেকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহিনুল রহমান। আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা মুক্তিযাদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান করেন। গরীব আসহায় মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন নাগদ টাকার চেক বিতরণ করেন।এসময় অতিথিরা বলেন, বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনে সাহস ও অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন এই মহিয়সী নারী বেগম ফজিলাতুন্নেছা।
বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙালি জাতি দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তার শ্রেষ্ঠ অর্জন স্বাধীনতা লাভ করে। বাঙালি জাতির জন্য বঙ্গবন্ধুর এই আজীবন লড়াই-সংগ্রাম-আন্দোলনের নেপথ্যের প্রেরণাদাত্রী ছিলেন তার সহধর্মিনী ফজিলাতুন্নেছা মুজিব।
তিনি বঙ্গবন্ধুর সমগ্র রাজনৈতিক জীবন ছায়ার মতো অনুসরণ করে তার প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অফূরান প্রেরণার উৎস হয়ে ছিলেন।
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার কবিতায় লিখেছিলেন, ‘বিশ্বে যা কিছু চির সুন্দর, কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর’

বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জীবনী বিশ্লেষণে বিদ্রোহী কবির এই কবিতার যথার্থ প্রতিফলন দেখা যায়। বঙ্গবন্ধু কারাগারে বন্দি থাকার সময় বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যে যোগাযোগ এবং রাজনৈতিক দিক নির্দেশনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।