আজকের খবর ডেস্কঃ শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ও কৈখালী রিপোর্টস কাবে শনিবার দুপুর ১২ টায় এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। টেংরাখালীর ডাবল মাডার কেসের আসামীরা জামিন পেয়ে বাড়ীতে আসার পরে পথে ঘাটে বাদী ও তার লোকজন দ্বারা হয়রানীর শিকার হচ্ছেন বলে শ্যামনগর উপজেলার টেংরাখলী গ্রামের মেম্বার আঃ হামিদ লাল্টুর স্ত্রী শাকিরুন্নেছা সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, সাতক্ষীরার শ্যামনগরের টেংরাখালী আরশাদ আমিনের মোড়ে গত ৮ জুলাই সাবেক ইউ পি সদস্য আঃ বারী ও বর্তমান ইউ পি সদস্য আঃ হামিদ লাল্টু সমর্থকদের ভেতর সংঘস্বের ঘটনায় ২জন নিহত হয়। এ ঘটনায় সাবেক ইউ পি সদস্য আওয়ামীলীগ নেতা আঃ বারী বাদী হয়ে গত ৯ জুলাই শ্যামনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৭৩ জনকে এজহার নামীয় ৩০/৪০ জনকে অজ্ঞত আসামী করা হয়েছে যার শ্যামনগর থানার মামলা নং ১৩ তারিখ ০৯-০৭-২০২২। মামলা হওয়ার পরে মামলার বাদী আঃ বারী এলাকার সাধারন মানুষকে অজ্ঞত নামায় আসামী শ্রেনীভুক্ত করার ভয় দেখিয়ে পুরুষ মানুদের বাড়ী ছাড়া করিয়েছেন। কতক লোক মামলার ভয়ে আঃ
বারীকে টাকা দিয়েছেন। আবার কতক লোককে আঃ বারী মসজিদে তুলে, কোরআন শফত
করিয়ে তার দল করার প্রতিশ্রুতি নিয়েছে। মামলার ৫৮ জন আসামী হাইকোট থেকে
জামিন নিয়ে বাড়ীতে আসার পরে আঃ বারী ও তার লোকজন আসামীদেরকে মারপিট করার
জন্য লাঠি সোটা নিয়ে তাড়া করছেন। মামলার আসামী আব্দুল সহ কয়েকজন টেংরাখালী মোড়ে বাজার সওদা করতে গেলে আঃ বারীর লোকজন গত ইং ১২-০৮-২০২২
তারিখ বিকালে লাঠি সোটা নিয়ে তাড়া করে বলছে রক্তের বদলে রক্ত নেবো। তখন
আব্দুল সহ অন্যান্য আসামীরা দৌড়ে চলে আসে। আঃ বারীর পুত্র ইউনুছ আলী ,
ভাই পো আলমগীর ও নাঈম প্রকাশ্যে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে
বিভিন্ন প্রকার হুমকি ধামকি দিচ্ছে। মামলার আসামী না হয়েও আঃ হামিদ, মনিরুল, আহসানুর ও লিটনকে আঃ বারীর গুন্ডা বাহিনী তাড়িয়ে ধরে মারপিট করে পুলিশে দেওয়ার ফলে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি হয়। এখন আঃ বারী টেংরাখালী আরশাদ আমিনের মোড়ে বসে এলাকার নিরহ মানুদের নামের তালিকা করে অজ্ঞত নামা আসামীর তালিকা দিচ্ছেন বলে প্রচার করছেন। আঃ বারী ডাবল মাডারের ঘটনাকে পুজি করে কোটি টাকার মিশনে নেমেছেন। এলাকার নারী ও পুরুষরা আঃ বারীর গুন্ডা বাহিনীর আতংকে বাড়ী ঘরে থাকতে পারছেন না। মামলায় কালিঞ্চি গ্রামের
মেম্বার আলী আজগর বুলুকে আসামী করা হয়েছে অথচ তিনি ঘটনা স্থলে ছিলেন না।
তিনি হাইকোট থেকে জামি,ন নিয়ে বাড়ী ফেরার পথে আঃ বারীর লোকজন লাঠি সোটা
নিয়ে তাড়া করছেন। এসব ঘটনায় আমি পুলিশের আই জি, ডি আই জি, এস পি ও
শ্যামনগর থানার ওসির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। ৮ জুলাই মারামারির ঘটনায়
আমাদের ৮/৯ জন গুরুত্বর যখম হওয়ার ঘটনায় আমি বাদী হয়ে থানায় এজহার দিলেও
মামলা হয়নি। তখন আমি বিজ্ঞ আদালতে মামলা করলে আদালত শ্যামনগর থানাকে
তদন্ত করে ব্যাবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেছে। মহামান্য সুপ্রিম কোটের ৪৭ ডি এল আরে ৯৪ পাতায় স্পষ্ট বলা আছে ম্যাজিষ্টে আমল যোগ্য ঘটনা থানায় তদন্ত করতে পাঠালে তা এফ আই আর করে তদন্ত করতে হবে। কিন্ত দীর্ঘ দিন হলেও থানায় মামলা না হওয়ায় আঃ বারী প্রকাশ্য ঘুরে ফিরে একের পর এক
ঘটনা ঘটিয়ে চলেছে। সে কারনে জামিন পাওয়ার পরেও মামলার বাদী ও তার গুন্ডা
বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে আমার মামলা টি থানায় রেকর্ড করতঃ আঃ বারী সহ
তার গুন্ডা বাহিনীকে গ্রেফতার করতে আপনাদের লেখনির মাধ্যমে সাতক্ষীরার
মহানুভব পুলিশ সুপারের কৃপা দুষ্টি কামনা করছি।