শ্যামনগর(সাতাক্ষীরা)প্রতিনিধিঃ
জলবায়ুর পরিবর্তনের জন্য দায়ী ধনী দেশগুলোর নিকট থেকে জলবাযুর ক্ষতিপূরণ আদায়ের দাবী
তোমরা বড়রা মিথ্যা বলছো, আমাদের কান্না তোমরা কি শুনতে পাও না, বেচে থাকার অধিকার, চাই জলবায়ুর সুবিচার এই শ্লোগানকে সামনে রেখে আজ ২১ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে শ্যামনগর বাসষ্টান্ডে সুন্দরবন স্টুডেন্ট সলিডারিটি টিম(এসএসএসটি) ও উপকুলীয় শিক্ষা বৈচিত্র্য উন্নয়ন সংস্থা (সিডিও) এর আয়োজনে ও গবেষনা উন্নয়ন প্রতিষ্টান বারসিকের সহায়তায় জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বিশ্বের অধিক কার্বন নিঃসরনকারী দেশগুলোকে লালকার্ড প্রদর্শন করেছে উপকুলীয় যুবরা।
লালকার্ড প্রদর্শন কর্মসুচিতে অংশগ্রহন করে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন উপজেলা জনসংগঠন সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ সিরাজুল ইসলাম, শ্যামনগর সদর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য দেলোয়ারা বেগম, শ্যামনগর উপজেলা অনলাইন নিউজ ক্লাবের সভাপতি মারুফ হোসেন মিলন, এসএসটির রাইসুল ইসলাম ও সিডিওর হাফিজুর রহমান এবং বারসিক কর্মকতাবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, বিলাসী জীবন যাপন পরিত্যাগ করে কম কার্বন নির্ভর জীবনযাপনে বাধ্য করা,জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আমাদের যে লস এবং ড্যামেজ হয়েছে তার জন্য জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে সংগঠিত দ্বন্দ্ব সংঘাতের রুপান্তর ঘটিয়ে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা এবং জলবায়ু নায্যতা, জেন্ডার নায্যতা নিশ্চিত করা জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ সমঝোতার নামে বছরের পর বছর কাটিয়ে দিয়েছেন কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন সমাধান হয়নি। এর ফলে উপকুলীয় যুব সমাজ জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য বিশ্বের ধনীদেশগুলোর কাছে জোর দাবী করছে। তোমরা ধনীরা আমাদের কাছে মিথ্যা গল্প বলছ, এখনই তোমাদের বিলাসী জীবন বাদ দিয়ে কার্বন নির্গমন বন্ধ কর। কারণ একটাই পৃথিবী এটা না বাঁচালে মানুষ ও অন্যন্য প্রাণী এই পৃথিবী থেকে বিলিন হয়ে যাবে।

বক্তারা আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য ক্ষতিগ্রস্থ দেশের জন্য ক্ষতিপুরন আদায় ও কম কার্বন নিঃসরনের জন্য ধনী দেশগুলোর কাছে চাপ সুষ্টি করে ক্ষতিপুরন আদায়ে সরকারকে আরো বেশী সচেতন হওয়ার আহবান জানান।

লালকার্ড প্রদর্শন কমৃসুচিতে সংহতি প্রকাশ করেন জনসংগঠন সমন্বয় কমিটি, শ্যামনগর সদর ইউনিয়ন, শ্যামনগর রিপোটার্স ক্লাব, মটর শ্রমিক ইউনিয়ন ও এলাকার সবশ্রেনীর মানুষ সামিল হয়েছেন।